সাব্বির নাসিরের লোকগান, মুরাদ নূরের সুরে লিখেছেন কবি অসীম সাহা

সাব্বির নাসিরের লোকগান, মুরাদ নূরের সুরে লিখেছেন কবি অসীম সাহা

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাব্বির নাসির এবার নন্দিত কবি অসীম সাহার কথামালায়, মুরাদ নূরের সুরে লোকগান গাইলেন। গানের শিরোনাম ‘টান’ ।

মুশফিক লিটুর সংগীতায়োজনে এ গানটি বৈশাখে প্রকাশিত হবে। নতুন এ গান প্রসঙ্গে সাব্বির নাসির বলেন, ‘গত বছর ফেব্রুয়ারিতে মুরাদ নুরের সুরে, বিশালের কথায়, মুশফিক লিটুর সংগীতায়োজনে গেয়েছিলাম ‘আমারে দিয়া দিলাম তোমারে’ শিরোনামের গানটি গেয়েছিলাম। এ গানটি শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান পেয়েছে, ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। মুরাদ নুর যখন কবি অসীম সাহার গানটি শোনালেন, একটু দ্বিধাগ্রস্থ ছিলাম।

কারণ শংকিত ছিলাম এই ভেবে যে এত বড় একজন কবির কথায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবতো? যাক, এক বছরের দ্বিধা দ্বন্দ্ব, গবেষণার পর প্রকাশিত হতে যাচ্ছে টান। ভিডিওর পরিচালক ও আর্টিস্ট সারপ্রাইজ রইলো। আশা করছি আমাদের ‘টান’ লোকগান এর ঐতিহ্য ফুটে উঠবে।’

সুরকার মুরাদ নূর বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত ভাবে লোকগান সৃষ্টি করতে আনন্দ অনুভব করি। বাংলার ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করি। সাব্বির নাসির ও মুরাদ নূর জুটির দ্বিতীয় গান ‘টান’। খুবই যত্ন করে সময় নিয়ে গানটি করেছি। আশা নয় বিশ্বাস করি আমাদের এই সৃষ্টিটি প্রশংসনীয় হবে।’

কবি অসীম সাহা বলেন, ‘নূর আমার বেশকিছু লেখায় সুর করেছে। কথার ভাব অনুযায়ী অসাধারণ সুর করে। সাব্বির এর গায়কী কথা সুরের পূর্ণতা পেয়েছে। এতো ব্যস্ততার পরেও সাব্বির এর লোকগানের প্রেম আমাকে মুগ্ধ করেছে। নূর ও সাব্বির এর জন্য শুভ কামনা।’

উল্লেখ্য, সাব্বির নাসির নব্বই দশকের নিয়মিত শিল্পী হলেও মাঝে ব্যক্তিগত কারণে লম্বা সময় গান থেকে দূরে ছিলেন। সমসাময়িক মিউজিশিয়ান আর বন্ধুদের অনুপ্রেরণায় আবারও স্টুডিওতে ফিরেছেন ২০১৭ সালে। পরপর বেশক’টি বাংলা গান প্রকাশ করে সফলতা পেয়েছেন। সেই সূত্রে এবার তিনি করছেন ইংরেজি গানও, লক্ষ্য দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বাঙ্গনে পৌঁছানো।
গেলো দুই বছরে ব্যাক টু ব্যাক ‘হর্ষ’, ‘ফুল ফোটাবো’, ‘ফাগুন আসছে’, ‘জল জোছনা’, ‘পোকা’, ‘আমারে দিয়া দিলাম তোমারে’, ‘মৃত জোনাকি’, আবোলতাবোলসহ বেশক’টি গানচিত্র প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন সাব্বির নাসির।

আসছে বৈশাখে ‘টান’ এর অডিও ভিডিও প্রকাশ হবে সাব্বির নাসিরের ইউটিউব চ্যানেল সহ সকল ডিজিটাল মাধ্যমে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *