রংপুর বিভাগীয় ব্যাুরো প্রধান ফিরোজ মাহমুদ।।

রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় এক তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে খোঁজ মেলে হাজার তথ্যের। এযেন কেঁচো খুড়োতে গিয়ে সাপের সন্ধান।উপজেলার বেশির ভাগ ঔষধের দোকানের লাইসেন্স নেই,হাট বাজার গুলোতে ড্রিগ্রী ছাড়া ডক্টরের ছড়াছড়ি। ঔষদ প্রসাশনের তদারকির অভাবে এসব চিকিৎসকের কাছে জিম্মি সাধারণত মানুষ।গতকাল মিঠাপুকুর উপজেলা সহ আসপাশের বেশ কয়েক টি হাট বাজার ঘুরে দেখাগেছে -হাট বাজার গুলোতে শত-শত ঔষধের দোকান বেশ কয়েক টি ঔষধের দোকানে গিয়ে খোঁজ করে দেখা গেল কাশ, সর্দি, জ্বর, সহ নানান ধরনের ঔষধ দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে,এ ছাড়াও নিম্ন মানের বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধে দোকান গুলো ভরপুর হয়ে আছে।অথচ এই ধরনের ঔষধ দ্বিগুণ দামে বিক্রির ব্যাপারে কোম্পানী গুলো কোনো নির্দেশনা নেই।কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী মহামারির এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে এই ধরনের ঔষধের দ্বিগুণ দাম নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মিঠাপুকুর উপজেলায় ঔষধের দাম কিছুটা কম, একই ধরনের ঔষধের দাম আসপাশের হাট বাজারের ঔষধের দোকান গুলোতে বেশি করে নেওয়ার হচ্ছে।এসব অসাধু ঔষধ ব্যাবসায়ীর ড্রাগ লাইসেন্স তো দুরের কথা,তাদের কাছে ট্রেড লাইসেন্সও টুকুও নেই।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এজন চিকিৎসক বলেন- শুধু মাত্র নামে এরা চিকিৎসা দেয় এদের কোনো প্রশিক্ষন নেই, এসব চিকিৎসকের ভিজিট ২০/৫০ টাকা করে, এরা চিকিৎসা দিয়ে রোগী ভালো না হলে এরা শহরের ডাক্টারের কাছে কমিশনের মাধ্যমে রোগী পাটায়, বলতে গেলে এক ধরনের দালাল চক্রের সদস্য এরা।সচেতন মহল -মহামারীর এই মুহূর্তে অসহায় মানুষের সাহায্য ঔষধ প্রসাশনের পক্ষ থেকে জরুরী ভাবে বিষয়টি ব্যাবস্হা গ্রহন করতে জোর দাবি জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!