মোরেলগঞ্জ থেকে
মোঃগালিব খান

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৫নং রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে আট নংওয়ার্ডের আরিফুল ইসলাম মৌখামার করে এলাকায় আলোরন সৃষ্টি হয়েছে।প্রতিনিয়ত দুর দুরান্ত থেকে এ মৌ খামার দেখতে আসেন অনেক মানুষ।এলাকাবাসি জানান এধরনের আর্চায্য জনক মৌমাছি চাষ আগে দেখা যায়নি তাই আমরা খুব খুশি।নিজ এলাকায় বসে খাটি মধু পাওয়াজাচ্ছে।মোঃআরিফুল ইসলাম মদ্ধবৃত্ত একটি পরিবারে তার জন্ম ছোটবেলা থেকেই তার মেধাকে কাজে লাগাবার চেষ্টা করছেন তিনি।আরিফুল ইসলাম ২০১১ সালে কে এম বৌলপুর আলিম মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করেন।পরে প্রথম তিনি সার্ভেয়ার প্রশিক্ষন দেন পরে কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র খুলনা থেকে ড্রাইভিং কোর্স করেন পরে খুলনা শিপইয়ার্ড থেকে অটোম্যাকানিক ট্রেডে কৃতিত্বের সাথে ট্রেনিং সফল করেন পরে ২০১৬ সনে২০১৮ সালে তিনি মৌমাছির উপর প্রশিক্ষন দেন পরে সেটাকে কাজে লাগিয়ে ২০১৮ সনে মৌমাছির ১৮টি বক্স নিয়ে প্রথম পথ যাত্রা শুরু করেন।আরিফুল ইসলাম(২৭)কচুয়া উপজেলাথেকে বেসিক ট্রেনিংকরেন।২০২০ সালে ৩০টি বক্স থেকে ১১০টি বক্স করেন।দেশের বিভিন্ন জেলাতে ঘুরে মধুসংগ্রহ করতে হয়।বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফুলের মধু সংগ্রহ করে থাকেন আরিফুল ইসলাম।আরিফুলের বাবা মোঃমোকছেদ আলি খান জানান তিনি তার ছেলের এমন উদ্যগে খুবি উৎসাহিত।আরিফুল ইসলাম বলেন তাকে তার বাবা বিভিন্ন সময় সাহায্য এবং উৎসাহিত করেছেন।গতদিন মঙ্গলবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃমসিউর রহমান এ খামার পরিদর্শন করতে আসেন। মোঃমসিউর রহমান জানান আরিফুলের দিকে আমাদের সর্বদা খেয়ালথাকবে এবং আরিফুল ইসলামের এমন উদ্যোক আমাদের গর্ব আমরা তার এমন উদ্যোককে ধন্যবাদ জানাই কারন এমন যুব বয়সে তার এমন একটি চিন্তাধারা যেটা আমাদের যুবসমাজকে আরো উতসাহিত করবে।তবে বর্তমানে লকডাউনে মধু নিয়ে অনেকটা সংকটে পরেছেন আরিফুল ইসলাম ক্রেতা আসতে না পারায় ১২মন মধু পরে আছে।এমৌসুমে কোনো ফুল নাথাকয়ওখরচা বেরেদারিয়েছে অনেক প্রতি সপ্তাহে ১০০ থকে১৫০ কেজি চিনি খাইয়ে বাচাতে হচ্ছে মাছিগুলোকে।এতে আর্থিক সংকটে পরেছেন তিনি।সরকারের নিকট বাবি জানিয়ে বলেন আরিফুল ইসলাম দেসের ভারসম্য রক্ষায় এবং কৃষিসমপ্রদায়কে বাচিয়ে রাকতে সরকা প্রদান জেনো তাদের আর্থিক সহয়তা করেন।কৃষি কর্মকরতা মোঃমসিউর রহমান জানান মৌমাছি বিভিন্য ফুলের পোলন অন্য ফুলেদিলে সকল ফলের বৃদ্ধিপায় প্রায় ১৫ থকে২০%।কৃষকদের বাচাবো আমরা বাচবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!