মোঃ মানুষ মোল্যা , কালিয়া নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইল কালিয়ার নবগঙ্গা নদীর উপর নির্মানাধীন সেতুর পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে একটি বালু বোঝাই বলগেট ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১৩৫ ফুট লম্বা বলগেটটির মাথার অংশ উচু হয়ে পিলারের সাথে সেটে আছে। তবে এঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অভিজ্ঞ মহলের ধারনা দ্রুত বলগেটটি উদ্ধার না করলে স্রোতের তান্ডবে পিলারের ক্ষতি হতে পারে। ১৩জুলাই (মঙ্গলবার) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শি উপজেলার নোয়াগ্রাম গ্রামের রেজাউল গাজীর ছেলে ও বাড়ই পাড়া খেয়া ঘাটের মাঝি শুকুর গাজী জানান, ডুবে যাওয়া বলগেটটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে দ্রুত গতিতে ব্রীজের পূর্ব দিক থেকে আসতেছিল। নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বলগেটের পিছন দিকটা পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় এবং বিকট শব্দে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। কিছুক্ষন পর শুনেতে পাই কিছু লোক বলছে বাঁচাও বাাঁচাও। তখন আমি ঘাটের ট্রলার নিয়ে দেখি বলগেটের ৭জন ষ্টাফ পানিতে পড়ে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে। অতঃপর আমরা তাদের উদ্ধার করি।
উদ্ধারকৃতরা শুকুর গাজীকে জানান, ওই বলগেটে ৭জন ষ্টাফই ছিল। উপজেলার শুক্তগ্রাম বালুমহল থেকে ভিটা বালু বোঝাই করে তার নড়াইলের তুলারামপুরের দিকে যাচ্ছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতের কারণে আমরা আজা বেঁচে ফিরছি।

এ বিষয়ে নির্মাণাধীন সেতু প্রকল্পের সাইট ম্যানেজার আবু তাহের বলেন, ঘাটের মাঝিরা আমাকে ওই ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলে ১৫জুন (বুধবার) সকালে প্রজেক্ট ম্যানেজারকে নিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত স্থান পরিদর্শন করি।
এ বিষয়ে ডি.পি.এম মিনহাজুল ইসলাম বলেন, সাময়িকভাবে লক্ষ্য করা গেছে প্রচন্ড বেগে ধাক্কা লাগা পিলারটি ভাল আছে। তবে ডুবন্ত বলগেটটি যেহেতু পিলারের সাথে লেগে আছে, তাই দ্রুত উদ্ধার অভিযান না চালালে ওই পিলারটির ক্ষতির আশংকা আছে। বলগেট মালিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ জিহাদুল ইসলাম,নড়াইলঃ কালিয়ার নবগঙ্গা নদীর উপর নির্মানাধীন সেতুর পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে একটি বালু বোঝাই বলগেট ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১৩৫ ফুট লম্বা বলগেটটির মাথার অংশ উচু হয়ে পিলারের সাথে সেটে আছে। তবে এঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অভিজ্ঞ মহলের ধারনা দ্রুত বলগেটটি উদ্ধার না করলে স্রোতের তান্ডবে পিলারের ক্ষতি হতে পারে। ১৩জুলাই (মঙ্গলবার) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শি উপজেলার নোয়াগ্রাম গ্রামের রেজাউল গাজীর ছেলে ও বাড়ই পাড়া খেয়া ঘাটের মাঝি শুকুর গাজী জানান, ডুবে যাওয়া বলগেটটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে দ্রুত গতিতে ব্রীজের পূর্ব দিক থেকে আসতেছিল। নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বলগেটের পিছন দিকটা পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় এবং বিকট শব্দে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। কিছুক্ষন পর শুনেতে পাই কিছু লোক বলছে বাঁচাও বাাঁচাও। তখন আমি ঘাটের ট্রলার নিয়ে দেখি বলগেটের ৭জন ষ্টাফ পানিতে পড়ে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে। অতঃপর আমরা তাদের উদ্ধার করি।
উদ্ধারকৃতরা শুকুর গাজীকে জানান, ওই বলগেটে ৭জন ষ্টাফই ছিল। উপজেলার শুক্তগ্রাম বালুমহল থেকে ভিটা বালু বোঝাই করে তার নড়াইলের তুলারামপুরের দিকে যাচ্ছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতের কারণে আমরা আজা বেঁচে ফিরছি।

এ বিষয়ে নির্মাণাধীন সেতু প্রকল্পের সাইট ম্যানেজার আবু তাহের বলেন, ঘাটের মাঝিরা আমাকে ওই ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করলে ১৫জুন (বুধবার) সকালে প্রজেক্ট ম্যানেজারকে নিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত স্থান পরিদর্শন করি।
এ বিষয়ে ডি.পি.এম মিনহাজুল ইসলাম বলেন, সাময়িকভাবে লক্ষ্য করা গেছে প্রচন্ড বেগে ধাক্কা লাগা পিলারটি ভাল আছে। তবে ডুবন্ত বলগেটটি যেহেতু পিলারের সাথে লেগে আছে, তাই দ্রুত উদ্ধার অভিযান না চালালে ওই পিলারটির ক্ষতির আশংকা আছে। বলগেট মালিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!